সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬, ০২:২৬ পূর্বাহ্ন
‘ইন্টারনেট বন্ধ করিনি বন্ধ হয়ে গেছে’ গণমাধ্যমে দেয়া জুনাইদ আহমেদ পলকের এই বক্তব্য ট্রাইব্যুনালের বিচারককে শোনালেন প্রসিকিউশন। আর নিজের বক্তব্যই কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে শুনেছেন তিনি। একইসঙ্গে ইন্টারনেট ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বন্ধের বিষয়ে সালমান এফ রহমান ও পলকের কথপোকথন পড়ে শোনানো হয়।
এ মামলার অভিযোগ গঠনের শুনানিতে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, সাবমেরিন ক্যাবল কাটা পড়া বা বিটিসিএল ভবনে আগুন লেগে ইন্টারনেট বন্ধ হওয়ার কথা প্রচার করে সেই দায় ছাত্র-জনতার ওপর চাপালেও আদতে তা হয়েছিল তৎকালীন সরকারের নির্দেশেই।
সজীব ওয়াজেদ জয় এবং পলক এসবের নীলনকশা করেছিলেন বলেও ট্রাইব্যুনালকে জানায় প্রসিকিউশন।
এ মামলায় প্রসিকিউশনের অভিযোগ গঠনের শুনানি শেষ। আগামী ১৫ জানুয়ারি আসামিপক্ষের শুনানির জন্য দিন ধার্য করেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১।
এর আগে, গত বুধবার ট্রাইব্যুনালে এ মামলার অভিযোগ গঠনের শুনানি হওয়ার কথা ছিল। তবে পলাতক আসামি সজিব ওয়াজেদ জয়ের পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী নিয়োগসংক্রান্ত চিঠি ইস্যু না হওয়ায় পেছানো হয় শুনানি। পরে তার পক্ষে স্টেট ডিফেন্স হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়।
গত ৪ ডিসেম্বর, মামলার আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করা হলে তা আমলে নেয় ট্রাইব্যুনাল। সেদিনই সজিব ওয়াজেদ জয় ও জুনাইদ আহমেদ পলকের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১।
এদিন প্রসিকিউটর বলেন, কাল পরশুর মধ্যেই মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় শেখ হাসিনার আমৃত্যু কারাদণ্ডের সাজা বাড়ানোর আবেদন শুনানির জন্য চেম্বার আদালতে নেয়া হবে।